হোমটিভি

ভালোবাসার আলো জ্বালাতে আসছে সাঁঝের বাতি

  | June 22, 2019 15:38 IST (কলকাতা)
Star Jalsha

একদিন দুধ বিক্রি করতে গিয়ে একটি চলন্ত গাড়ির সামনে এসে পড়ে চারু। কোনোমতে নিজেকে সামলে বলে ওঠে চালককে, আপনি চোখে দেখতে পান না? এভাবে কেউ গাড়ি চালায়! কিছুক্ষণের মধ্যেই চারু বোঝে ওই গাড়ির চালক আর্যমান মল্লিক সত্যিই চোখে দেখতে পায় না। এরপরেই আস্তে আস্তে সম্পর্ক দানা বেঁধে ওঠে দুজনের মধ্যে।

গল্পটা ভীষণ ইন্টারেস্টিং। দুই পরিবারের একজন গ্রামের দুধ বিক্রেতা। অন্যজন উত্তর কলকাতার প্রসিদ্ধ মিষ্টি বিক্রেতা। দুই পরিবারের মধ্যে যোগাযোগের অনুঘটক ঘোষ বাড়ির মেয়ে চারু (Charu) আর আর্যমান (Arjaman)। মা মরা মেয়ে চারু বাবার খুব আদরের। সত মা ঝুম্পা তাঁকে দেখতে পারেন না। আর সত বোন চুমকি চেষ্টা করে কী করে নিজের কোলে ঝোল টানা যায়। বাবার ব্যবসা সামলানো চারুর স্বপ্ন, মিষ্টির বড় দোকান খোলার। আর তার বাবা মেয়ের ওপর নিশ্চিন্তে দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে নিজে পড়াশোনা করে গ্রামের লোকেদের কবিরাজি চিকিতসা করেন। 

প্রোমোতেই জনপ্রিয় চিরদিনই আমি যে তোমার

একদিন দুধ বিক্রি করতে গিয়ে একটি চলন্ত গাড়ির সামনে এসে পড়ে চারু। কোনোমতে নিজেকে সামলে বলে ওঠে চালককে, আপনি চোখে দেখতে পান না? এভাবে কেউ গাড়ি চালায়! কিছুক্ষণের মধ্যেই চারু বোঝে ওই গাড়ির চালক আর্যমান মল্লিক সত্যিই চোখে দেখতে পায় না। এরপরেই আস্তে আস্তে সম্পর্ক দানা বেঁধে ওঠে দুজনের মধ্যে। কিন্তু দ্রামের সিধেসাদা মেয়ে কি বনেদি মল্লিক বাড়ির বউ হয়ে উঠতে পারবে? মন পাবে শাশুড়ি মল্লিকা মল্লিকের? উত্তর রয়েছে স্টার জলসার (Star Jalsha) আগামী মেগা  সাঁঝের বাতি-তে (Sanjher Bati)। পয়লা জুলাই সোম থেকে রবিবার রোজ দেখা যাবে সন্ধে ৬টায়।


 সম্প্রতি ভিলাইন মিডিয়ায় সাংবাদিকদের ডেকেছিলেন টিম সাঁঝের বাতি। সেখানে হাজির ছিলেন ঘোষ এবং মল্লিক পরিবার। কথা প্রসঙ্গে প্রযোজক স্নিগ্ধা বসু জানান, এই প্রজন্মের ভালোবাসার গল্প বলবে সাঁঝের বাতি। দুই পরিবারই মিষ্টি তৈরির সঙ্গে জড়িত। ফলে, মিষ্টি সম্পর্ক গড়ে ওঠার সম্ভাবনাই বেশি। কিন্তু কেউ কি এর মধ্যে ছানা কাটানোর চেষ্টা করবে? বলবে ধারাবাহিক। 


দেখুন! বলিউডি নাচের ছন্দে কেমন বিয়ের আসর মাতালেন সুস্মিতা সেন

3g9nk1no

এই ধারাবাহিকের মাধ্যমে বেশ কিছুদিন পর মেগার দুনিয়ায় ফিরছেন জুন মালিয়া। সাক্ষাতকারে জুন জানালেন, আমি মল্লিকা মল্লিক। আমার পরিবার বিখ্যাত মিষ্টি বানানোর জন্য। আর আমি? বড় ছেলে আর্যমান ঘেঁষা। বিশেষ করে ও অন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে। একই সঙ্গে কড়াপাক সন্দেশের মতো। যা ওপরে কড়া হলেও ভিতরে নরম, তুলতুলে। কিন্তু ছেলের অ্যাক্সিডেন্ট, অন্ধত্ব, আর্যমানের জীবনে চারুর প্রবেশ---সমস্তটা কী করে সামলাবে মল্লিকা? জানতে গেলে দেখতে হবে নতুন মেগা। একই সঙ্গে জানালেন, রোজ রাতে খাওয়ার পাতে জুনের একটা করে মিষ্টি লাগেই।চারুর মায়ের চরিত্রে অভিন করেছেন কাঞ্চনা মৈত্র। নিজের চরিত্র নিয়ে বলতে গিয়ে কাঞ্চনার মত, আমি অনেকটাই মিছরির ছুরি। সামনে সত মেয়ে চারু অন্ত প্রাণ। এদিকে চারু সরে গেলেই নিজের মেয়ে চুমকির আখের গোছাতে ব্যস্ত। তবে অভিনয়ের ভালো সুযোগ আছে।


মেগায় চারুর ভূমিকায় দেখা যাবে  নবাগতা দেবচন্দ্রিমা সিংহ রায়কে। আর্যমান হয়েছেন রেজওয়ান রব্বানি শেখ। চারুর বাবা হয়েছেন রতন সরখেল। পরিচালনায় লক্ষ্মণ ঘোষ।  প্রযোজনায় অ্যাক্রোপলিস এন্টারটেনমেন্ট। 







বাংলা ভাষায় বিশ্বের সকল বিনোদনের আপডেটস তথা বাংলা সিনেমার খবর, বলিউডের খবর, হলিউডের খবর, সিনেমা রিভিউস, টেলিভিশনের খবর আর গসিপ জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube
Advertisement
Advertisement