হোমটলিউড

৫০ দিন ধরে উজ্জ্বল ‘Sanjhbati’-র আলো

  | February 07, 2020 14:43 IST (কলকাতা)
Sanjhbati

সাঁঝবাতি-র নতুন জুটি দেব-পাওলি

দর্শকের ভালোবাসায়, প্রশংসায় পরিচালক জুটির দ্বিতীয় ছবি সাঁঝবাতি (Sanjhbati) সগৌরবে ৫০ দিন ছুঁয়ে ফেলল।

ফের হিট লীনা গঙ্গোপাধ্যায়-শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায় জুটি। ফের হিট লীনা-পাওলি দাম রসায়ন। ফের দেব স্বমহিমায়। দর্শকের ভালোবাসায়, প্রশংসায় পরিচালক জুটির দ্বিতীয় ছবি সাঁঝবাতি (Sanjhbati) সগৌরবে ৫০ দিন ছুঁয়ে ফেলল। প্রথম স্বাধীন প্রযোজনাতেই সফল প্রযোজক অতনু রায়চৌধুরী। সেই সঙ্গে এই ছবি সেতু বাঁধল দুই প্রজন্মের অভিনেতাদের মধ্যে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, লিলি চক্রবর্তীর সঙ্গে দেব-পাওলিকে এক ফ্রেমে ধরে। এছাড়াও, এই ছবি দিয়ে দেব-পাওলিকে নতুন জুটি হিসেবে পেল বাংলা ইন্ডাস্ট্রি।


92dl1p0g


ছবির গল্প খুবই চেনা। শহরে হামেশাই ঘটছে। মা-বাবাকে রেখে কাজের তাগিদে, বড় হওয়ার নেশায় ছেলেমেয়েরা বিদেশে ছুটছে। মা-বাবা কেয়ারটেকারের তত্ত্বাবধানে। অথবা কোনও বৃদ্ধাশ্রমে। তাকেই ঘিরেই লীনা গঙ্গোপাধ্যায়-শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় ছবি ‘সাঁঝবাতি'। যেখানে সুলেখা দেবী কাজের মেয়ে ফুলিকে নিয়ে থাকেন সল্টলেকের মতো ফাঁকা জায়গায়। বিরাট বাড়িতে। বিলেত ফেরত ডাক্তার ছেলে প্রায় রোজই ভিডিও কলে বিদেশে যাওয়ার নিমন্ত্রণ পাঠায়। কিন্তু সুলেখা দেবী নারাজ। ট্রেকিং করতে যাওয়া ছোট ছেলের হঠাৎ মৃত্যু, তাঁর পুরনো স্মৃতি, ভরা সংসারের গন্ধ ফেলে কী করতে তিনি বিদেশে যাবেন? ফুলি ছাড়াও সুলেখা দেবীর কাছের জন ছানা দাদু আর ছোট ছেলের হবু বউমা। বিশাল বাড়ির এমন আপনিকোপনি মালকিন হলে স্বাভাবিক ভাবেই চোখ টাটায় পাড়ার প্রমোটারের। গুণ্ডা লাগিয়ে সারাক্ষণ উত্যক্ত করতে থাকে সুলেখা দেবীকে। এমন অবস্থায় সেখানে সুলেখা দেবীর কেয়ারটেকার হিসেবে মেদিনীপুর থেকে আসে চন্দন চট্টোপাধ্যায়। প্রথম দিনেই দিদার নাতি হয়ে মন জয় করে ফেলে চাঁদু। তার ব্যবহারে বশ হন ছানা দাদুও। প্রথমে খটামটি লাগানোর চেষ্টা করলেও পরে ভালোবেসে ফেলে ফুলিও। সব কিছু নিয়ে যখন খুশি খুশি দিন কাটছে সবার, তখনই বিনা মেঘে বজ্রপাত সুলেখা দেবীর মৃত্যু। তাঁর মৃত্যুর কারণ ফুলি-চাঁদু? না প্রোমোটারোর ভাড়া করা গুণ্ডা? বলবে পর্দা। 


6s3dr5pg


প্রথম ছবি 'মাটি'-তে লীনা নিজের জীবনের গল্প বলেছিলেন। যেখানে ভারত-বাংলাদেশ ছিল। কাঁটাতারের ব্যবধান ছিল। আর ছিলেন পাওলি। এই ছবি নাগরিক জীবনের গল্প। যেখানে ছানা দাদুর মতো হাজারো বৃদ্ধ-বৃদ্ধার আক্ষেপ, পুরো শহরটাই একদিন বৃদ্ধাবাস হয়ে যাবে। এই ছবি তৈরির সময় লীনা বলেছিলেন, ক্যামেরায় দুই প্রজন্মের অভিনেতাদের ধরার পাশাপাশি নতুন জুটি উপহার দেবেন। সেই জুটি দেব-পাওলি। প্রথম কথা রাখতে গিয়ে অর্থাৎ দুই প্রজন্মকে ধরতে গিয়ে অসাধারণ কিছু দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করেছেন পরিচালকদ্বয়। সৌমিত্র বাবু-লিলি চক্রবর্তীর অনায়াস চরিত্র হয়ে ওঠা। আর তাঁদের ছোঁয়ায় দেব-পাওলির অভিনয়ে আরও উত্তরণ। বিশেষ করে দেব। এত নীচু স্কেলে তাঁর অভিনয় মনে করিয়েছে অনিরুদ্ধ রাচৌধুরীর 'বুনো হাঁস'-কে। ছানা দাদু-সুলেখা দেবীর অভিনয় এই ছবির প্রাণ। বিশেষ করে সৌমিত্রবাবু। যত দিন যাচ্ছে তত যেন তিনি আবিষ্কারের বস্তু হয়ে উঠছেন। অনেক দিন পরে সন্তু মুখোপাধ্যায়ের অভিনয় মন ভালো করে দিয়েছে। ভীষণ ভালো লাগবে দেব-পাওলির নিরুচ্চার প্রেমের দৃশ্যবন্ধ।

 

 


বাংলা ভাষায় বিশ্বের সকল বিনোদনের আপডেটস তথা বাংলা সিনেমার খবর, বলিউডের খবর, হলিউডের খবর, সিনেমা রিভিউস, টেলিভিশনের খবর আর গসিপ জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube
Advertisement
Advertisement
Listen to the latest songs, only on JioSaavn.com