হোমআঞ্চলিক

কলকাতা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে মনোনীত অসুখওয়ালা, দ্য পেইন হকার

  | November 04, 2018 12:57 IST (কলকাতা)
Osukhwala The Pain Hawker

একটি দৃশ্যে স্নেহা এবং সায়ন

রুদ্র মাঝে মাঝে ওষুধদের সাথে কথা বলে। আর রুদ্রের চোখে সেই সব ওষুধরা এক একটি মানব চরিত্র। ক্রমশ বোঝা যায় রুদ্রের মানসিক স্বাস্থ্যও বিপন্ন। এমন পরিস্থিতিতে তাঁকে মায়ের মতো আগলে রাখে তাঁর স্ত্রী।

এ বার আর অতিথি হয়ে না ঘরের লোক হয়েই আসছে অসুখওয়ালা, দ্য পেইন হকার।— এমনটাই ফেসবুকে জানিয়েছেন ছবির পরিচালক পলাশ দে। ক'দিন আগেই নিজের প্রথম সিনেমা নিয়ে পলাশ হাজির হয়েছিলেন, ঢাকা ই‌ন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের সিনেমা অফ দ্য ওয়ার্ল্ড বিভাগে। এ বার তার ছবিটি চব্বিশতম কলকাতা ই‌ন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালেও স্থান পেল।  পলাশ তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এই সুসংবাদ জানিয়ে লিখেছেন, ‘‘এভাবে আরো সম্মান ও আনন্দের খবর বন্ধুদের জানাতে পারবো বিশ্বাস করি। সরাসরি এবং পরোক্ষভাবে "অসুখওয়ালা"র সঙ্গে জড়িত সব্বাইকে প্রণাম, কোলাকুলি।''

ছবির মুখ্য দুই অভিনেতা সায়ন ঘোষ এবং স্নেহা চট্টোপাধ্যায়। সংলাপ ভৌমিক সম্পাদিত অসুখওয়ালা ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর তৈরি করেছেন ময়ূখ-মৈনাক। সিনেম্যাটোগ্রাফি করেছেন অমর দত্ত এবং প্রযোজনায় উৎপল পাল।

21rc05cg

ছবির একটি দৃশ্য

মফঃস্বলের দিকে মানুষের মধ্যে একটা প্রবণতা রয়েছে কোনও অসুখবিসুখ হলে ডাক্তারের কাছে না গিয়ে ওষুধের দোকানে সটান হাজির হয়ে দোকানিকে বলা এই রোগের একটা ওষুধ দিন তো। আর তার পরে রোগ কমার বদলে যদি তা বেড়ে যায় তখন কোপ পড়ে গিয়ে সেই দোকানদারের উপরে। মানুষ জ্বর, পেটের সমস্যায় নিজের ইচ্ছামতো প্যারাসিটামল, অম্বল-হজমের ওষুধ খায়। এ ভাবে একটা সময়ে পরে আর শরীরে সেগুলো কাজ করে না। তখন রাগ গিয়ে পড়ে যে দোকানদার ওষুধ বিক্রি করেছেন তার উপরে।  অথচ নিজের গাফিলতিটা কেউই খুঁজে দেখার বিন্দুমাত্র চেষ্টা করেনা। এমন একটা ভাবনা থেকেই পরিচালক পলাশ দে তাঁর ছবি অসুখওয়ালা তৈরি করেছেন। ছবিতে সিঙ্গুরের মফঃস্বল এলাকায় বসবাসকারী এক ওষুধ বিক্রেতা রুদ্রর জীবনের সামাজিক, পারিবারিক ও মানসিক ক্রাইসিসকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন পরিচালক।


ছবির উল্লেখযোগ্য বিষয় হল রুদ্র মাঝে মাঝে ওষুধদের সাথে কথা বলে। আর রুদ্রের চোখে সেই সব ওষুধরা এক একটি মানব চরিত্র। ক্রমশ বোঝা যায় রুদ্রের মানসিক স্বাস্থ্যও বিপন্ন। এমন পরিস্থিতিতে তাঁকে মায়ের মতো আগলে রাখে তাঁর স্ত্রী। দীর্ঘদিন বিয়ের পরেও সন্তানহীনতার কারণে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই অবসাদের শিকার। এমন সময় তাঁদের জীবনের দ্বিতীয় ক্রাইসিস হয়ে দেখা দেয় রুদ্রর হ্যালুসিনেশন। এই পরিস্থিতি থেকে তাঁরা মুক্তি পান কীভাবে তা জানা যাবে এই ছবি দেখার পরেই।


বাংলা ভাষায় বিশ্বের সকল বিনোদনের আপডেটস তথা বাংলা সিনেমার খবর, বলিউডের খবর, হলিউডের খবর, সিনেমা রিভিউস, টেলিভিশনের খবর আর গসিপ জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube
Advertisement
Advertisement