হোমবলিউড

‘পড়োশন’ সিনেমার মুকুটে নতুন পালক, স্মৃতিমেদুরতায় ভাসলেন ‘মেরি পেয়ারি বিন্দু’

জ্যোতি স্বরূপ (yoti Swaroop) পরিচালিত এই কমেডি সিনেমাটি একজন সাধারণ মানুষের গল্প। যিনি গ্রাম থেকে শহরে এসে পড়শি এক ফ্যাশনেবল তরুনীর প্রেমে পড়ে যান। আর সেই প্রেমকে পেতে সঙ্গীতজ্ঞ বন্ধুর সাহায্য নেন। আদ্যন্ত মজাদার এই সিনেমাটি বাংলাতেও ‘পাশের বাড়ি’ নামে তৈরি হয়েছে।

Saira Banu Padosan

পড়োশন সিনেমায় একটি দৃশ্যে সায়রা বানু

Highlights

  • আমার কেরিয়ারের প্রথম দিকের সিনেমা পড়োশন, বলেন সায়রা বানু
  • পড়োশন সিনেমায় ছিলেন মেহমুদ
  • বাংলা সিনেমা ‘পাশের বাড়ি’র রিমেক এই সিনেমাটি

১৯৬৮ সালের সিনেমা ‘পড়োশন' আইএমডিবি-র শীর্ষ ১০০টি ভারতীয় সিনেমার তালিকায় স্থান পেল (The 1968 film Padosan has entered the top 100 Indian Movie List of IMDb)। আর তারপরেই নিজের মনের উচ্ছ্বাস আর চেপে রাখতে পারলেন না বর্ষীয়ান অভিনেত্রী সায়রা বানু (Veteran actress Saira Banu)। তিনি বলেছেন, তার কেরিয়ারের একেবারের প্রথম দিকের সিনেমা ‘পড়োশন'। তার সহঅভিনেতাদের সকলেই তখন ছিলেন বেশ প্রতিষ্ঠিত। ‘পড়োশন' সিনেমাটি এই সম্মান পাওয়ায় তিনি খুবই খুশি হয়ে বলেছেন, ‘‘আমি সত্যি ভীষণ আনন্দিত যে সিনেমাটি আইএমডিবি-র শীর্ষ ১০০টি ভারতীয় সিনেমার তালিকায় জায়গা পেয়েছে।'' সিনেমায় সায়রা বানুর সঙ্গে ছিলেন সুনীল দত্ত, কিশোর কুমার ও মেহমুদ।

লোনাভালাতে আর নয়, বাড়ি বদল করছে ‘বিগ বস'

জ্যোতি স্বরূপ (yoti Swaroop) পরিচালিত এই কমেডি সিনেমাটি একজন সাধারণ মানুষের গল্প। যিনি গ্রাম থেকে শহরে এসে পড়শি এক ফ্যাশনেবল তরুনীর প্রেমে পড়ে যান। আর সেই প্রেমকে পেতে সঙ্গীতজ্ঞ বন্ধুর সাহায্য নেন। আদ্যন্ত মজাদার এই সিনেমাটি বাংলাতেও ‘পাশের বাড়ি' নামে তৈরি হয়েছে।

সায়রা বানু বলেন, ‘‘আমার তখন অনেকটাই কম বয়স ছিল। সবে কেরিয়ার শুরু করেছিলাম। সেই সময় ‘পড়োশন'-এর মতো একটা সিনেমায় কাজ পেয়ে আমি খুবই খুশি হয়েছিলাম কারণ এটা একজন খুবই উচ্ছ্বল তরুণীর চরিত্র ছিল, তার স্বপ্ন সত্যি হওয়ার গল্প ছিল। সত্যি কথা বলতে বিন্দু চরিত্রটি তখন অনেকটাই আমার নিজের সঙ্গে মিলে যেত। ব্যক্তি জীবনেও আমি এরকমই ছিলাম।''


অমিতাভ বচ্চনের কাজের টেবিল লণ্ডভণ্ড করে দেয় এত দুঃসাহসী কে?

বর্ষীয়ান অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘‘গোটা শুটিংটাতেই খুব মজা হয়েছিল। আমার প্রত্যেক সহ-অভিনেতা এত অসামান্য কাজ করেছিলেন এবং তারা সকলেই তখন প্রতিষ্ঠিত, শ্রদ্ধেয় ও জনপ্রিয় অভিনেতা ছিলেন।''

১৯৬৬ সালে সায়রা বানুর সঙ্গে অভিনেতা দিলীপ কুমারের বিয়ে হয়। সায়রা বানু বলেন, ‘‘সেই সময় আমার সবেমাত্র দিলীপ সাহেবের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল এবং দিলীপ সাহেব সিনেমাটি দেখে আমার কমিক টাইমিংয়ের বিশেষ করে প্রশংসা করেছিলেন। সেটা আমার কাছে তখন পরম পাওনা ছিল।''

আপাতত ৭৪ বছর বয়স সায়রা বানুর। পুরনো দিনের অভিজ্ঞতার কথা মনে করতে গিয়ে স্মৃতি ভারাক্রান্ত হয়ে পড়লেন তিনি। মা নাসিমা বানুর কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, ‘‘ওই সিনেমায় আমি যতগুলো শাড়ি পড়েছিলাম সবকটি মা নিজের হাতে তৈরি করেছিলেন। সেই শাড়িগুলিই কিছুদিনের মধ্যে ট্রেন্ডসেটার হয়ে উঠেছিল।''


(এনডিটিভি এই খবর সম্পাদনা করেনি, এটি সিন্ডিকেট ফিড থেকে সরাসরি প্রকাশ করা হয়েছে।)


বাংলা ভাষায় বিশ্বের সকল বিনোদনের আপডেটস তথা বাংলা সিনেমার খবর, বলিউডের খবর, হলিউডের খবর, সিনেমা রিভিউস, টেলিভিশনের খবর আর গসিপ জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube
 
Advertisement
Advertisement