হোমটিভি

স্বাধীনভাবে বাঁচবেন? কলকাতার ‘শেষ Co-Ed মেস’-এ?

  | November 16, 2019 22:13 IST (কলকাতা)
Shesh Mess

কারোর সঙ্গে কোনও সমঝোতায় না এসে যদি সবার মধ্যে থেকে স্বাধীন ভাবে বাঁচতে চান তাহলে চলে আসুন কলকাতার শেষ মেস-এ।

আপনি মহিলা? না পুরুষ? কম কথার মানুষ? নাকি বকবকমবাজ! তাই নিয়ে বড্ড সচেতন? কে, কী বলবে। কে, কী ভাববে? কারোর সঙ্গে কোনও সমঝোতায় না এসে যদি সবার মধ্যে থেকে স্বাধীন ভাবে বাঁচতে চান তাহলে চলে আসুন কলকাতার শেষ মেস-এ (Shesh Mess)। নামটা একটু অন্যরকম ঠেকছে? হতেই হবে। কারণ, এটাই কলকাতার শেষ মেসবাড়ি। যার হদিশ আগামীকাল, রবিবার দুপুর একটায় মিলবে জি বাংলা সিনেমা অরিজিনালস-এ (Zee Bangla Cinema Originals)। এখানে ঝগড়াও আছে। আছে ভাব-ভালোবাসাও। 

প্রেম চিরন্তন? তাই ফিরছে ‘এখানে আকাশ নীল'?

এবার প্রশ্ন, কেন যাবেন থাকতে এই মেসবাড়িতে? এর স্পেশালিটি কী? সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব, এখানে নারী-পুরুষ সমান সমান। বলতেই পারেন একে কো-এড মেস বাড়ি। আসলে বাড়ির যিনি মালকিন তিনি ভীষণ স্বাধীনচেতা। তাই তাঁর প্রশয়ে নানা বয়সের একদল মহিলা-পুরুষ এখানে বাস করেন রাজার রাজত্বে। যেখানে সবাই রাজা। এবং সবাই সবার খুব ভালো বন্ধু। বয়সের পরোয়া না করেই। যা আজকের দিনে সত্যিই দুর্লভ। নিজের পরিবারেও মেলে না এমনটা।

ctu5pae8


নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছে করছে, এতই যদি ভালো তবে তা ফুরিয়ে যাচ্ছে কেন? ওই যে, মালকিন চোখ বুঁজলে যা হয়। তাঁর জ্ঞতি-গুষ্টি এসে হম্বতম্বি চালিয়ে বলেন, এ বাড়িতে এসব চলবে না। আপনারা কেন ঈছেন পরের বাড়ি দখল করে? এতক্ষণ যা জানালাম তা কিন্তু একটাও আমার কথা নয়। পুরোটাই জানিয়েছেন এই মেস বাড়ির জনক-জননীসম পরিচালক খেয়া চট্টোপাধ্যায়-আদিত্য সেনগুপ্ত। খেয়া-আদিত্য দু-জনকেই আপনারা চেনেন 'প্রজাপতি বিস্কুট'-এর দৌলতে। রিয়েল লাইফেও খেয়া-আদিত্য খুব ভালো বন্ধু। মাত্র ২৩ বছর বয়সে দু-জনে প্রথম ছবি বানিয়েছিলেন। সেই ছবি মুক্তি না পেলেও 'শেষ মেস' কিন্তু কাল দুপুর মাতাতে চলে আসছে হইচই করে।


‘ছায়া'র আঁধার সরিয়ে আবার কি ঝলমল করবে ‘আলো'?

কথায় কথায় খেয়া জানালেন বারুইপুর রাজবাড়িতে শুট চলতে চলতে এক এক সময় তাঁরা ভুলেই যেতেন, এটা আসল পরিবার নয়, গোটাটাই হচ্ছে শুটিংয়ের খাতিরে। হবে নাই বা কেন? অভিনয়ে যেখানে অরিন্দম গাঙ্গুলি, গৌরব চক্রবর্তী, বাসব দত্ত, অপরাজিতা ঘোষ দাস, আদিত্য-খেয়া নিজে আছেন! এবং গল্প যেখানে কমেডি ড্রামা, সেখানে নরক গুলজার হবেই। হঠাৎ এরকম একটি বিষয় নিয়ে কেন কাজ করলেন? উত্তরটা যেন ঠোঁটের ডগায় ছিল খেয়ার। বললেন, 'শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের ভাষায় বলতে হয়, 'মানুষ বড় একলা। তুমি তার পাশে এসে দাঁড়াও।' এবং আজকের মানুষ ভীষণ আনসোশ্যাল। কারণ, সে সারাক্ষণ ডুবে সোশ্যাল দুনিয়ায়! দুটো অসমবয়সী মানুষও যে ঝগড়াঝাঁটি, মান-অভিমান করে এক ছাদের তলায় ভালো বন্ধু হয়ে বাস করতে পারে মানুষ যেন সেটা ভাবতেই ভুলে গেছে। তাই সবাইকে সজাগ করতে এই ছবি। 'যতদিন বাঁচব মন খুলে বাঁচব'---বলতে পারেন এটাই ছবির ট্যাগলাইন। ছবি দেখে কিছু মানুষও যদি বন্ধুত্বের হাত বাড়ান তবেই সার্থক হবে আমাদের কাজ।'



বাংলা ভাষায় বিশ্বের সকল বিনোদনের আপডেটস তথা বাংলা সিনেমার খবর, বলিউডের খবর, হলিউডের খবর, সিনেমা রিভিউস, টেলিভিশনের খবর আর গসিপ জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube
Advertisement
Advertisement